নতুন রাজনৈতিক দল ‘ক্রাউডফান্ডিং’ করে টাকা জোগাড় করবে, কী সেটা ও কীভাবে কাজ করে


নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দলীয় তহবিল গঠনের জন্য ‘ক্রাউডফান্ডিং’ করবে বলে জানিয়েছে।
৮ মার্চ দলের এক সংবাদ সম্মেলনে বার্তা সংস্থা রয়টার্সে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা অনলাইন ও অফলাইনে একটা ক্রাউডফান্ডিংয়ের (গণচাঁদা সংগ্রহ) দিকে যাচ্ছি, যে ক্রাউডফান্ডিংয়ের মাধ্যমে আমরা দলের কার্যালয় স্থাপনসহ নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহ করব।’
কৌতূহল তৈরি হয়েছে যে এই ক্রাউডফান্ডিং কী, এর মাধ্যমে তহবিল কীভাবে সংগ্রহ করা হয়, উদাহরণ আছে কি না।
রাজনীতিতে গণচাঁদা সংগ্রহ নতুন কিছু নয়। সাধারণত রাজনৈতিক দল ও সংগঠন গণচাঁদা সংগ্রহ করেই চলে। কিন্তু সমস্যা হয় তখন, যখন রাজনীতিবিদেরা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর কাছ থেকে টাকা নেন এবং তাঁদের স্বার্থে কাজ করেন। এই অঞ্চলে রাজনৈতিক দলগুলো গোপনে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে শক্তিশালী গণতন্ত্রের দেশগুলোতে চাঁদা তোলা হয় প্রকাশ্যে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চাঁদাদাতার নাম–পরিচয় সবাই জানতে পারে। গণচাঁদায় নতুন যোগ হয়েছে ‘ক্রাউডফান্ডিং’।